46% ছাড়
হাদীসের প্রামাণ্যতা
| লেখক : | জাস্টিস মুফতী মুহাম্মদ তকী উসমানী |
| প্রকাশনী : | রাহনুমা প্রকাশনী |
| বিষয় : | আকিদা ও বিশ্বাস |
| পৃষ্ঠা : | 143 |
| বাইন্ডিং : | হার্ডকভার |
| প্রকাশসাল : | 2018 |
| ভাষা : | বাংলা |
ইসলামী শরীয়তের অন্যতম প্রধান ও অকাট্য উৎস হলো প্রিয়নবী (সা.)-এর হাদিস বা সুন্নাহ। কিন্তু বর্তমান যুগে প্রাচ্যবিদদের (Orientalists) প্ররোচনায় একশ্রেণির বিভ্রান্ত মানুষ দাবি করে যে, ইসলামের জন্য কেবল কু...
৳১৩০৳২৪০(46% ছাড়)
পরিমাণ:
1
● স্টকে আছে
🚚সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
🛡️১০০% অরিজিনাল বই
🔄৩ দিনে সহজ রিটার্ন সুবিধা
বইয়ের বিবরণ
শিরোনাম: হাদীসের প্রামাণ্যতা — আল্লামা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী
ইসলামী শরীয়তের অট্টালিকা মূলত দুটি মজবুত পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—পবিত্র কুরআন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ বা হাদিস। কিন্তু বর্তমান যুগে একশ্রেণির বুদ্ধিবৃত্তিক বিভ্রান্তির উদ্ভব হয়েছে, যারা দাবি করে যে ইসলাম পালনের জন্য কেবল কুরআনই যথেষ্ট, হাদিসের কোনো আইনি ভিত্তি নেই বা হাদিস দেরিতে সংকলিত হওয়ায় তা নির্ভরযোগ্য নয়। এই 'মুনকিরে হাদিস' বা হাদিস অস্বীকারকারীদের ভয়াবহ ফিতনা থেকে মুসলিম উম্মাহর ঈমান রক্ষার্থে বিশ্ববরেণ্য ইসলামী স্কলার আল্লামা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী রচনা করেছেন অত্যন্ত যুগান্তকারী গ্রন্থ "হাদীসের প্রামাণ্যতা" (উর্দুতে: حجیت حدیث / হুজ্জিয়তে হাদিস)।
এই বইটিতে লেখক অত্যন্ত ক্ষুরধার যুক্তি এবং খোদ পবিত্র কুরআনের অসংখ্য আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ বা হাদিসকে নিঃশর্তভাবে অনুসরণ করা ফরজ করেছেন। নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতো ইসলামের মৌলিক বিধানগুলো কুরআনে কেবল সংক্ষেপে বলা হয়েছে; এগুলোর বিস্তারিত নিয়মকানুন ও প্রায়োগিক রূপ আমরা কেবল হাদিস থেকেই পাই। সুতরাং, হাদিস বাদ দিলে ইসলাম একটি কাঠামোবিহীন ধর্মে পরিণত হয়।
এছাড়া প্রাচ্যবিদ ও আধুনিকতাবাদীরা হাদিস সংকলনের ইতিহাস নিয়ে যেসব ভিত্তিহীন সন্দেহ তৈরি করে, মুফতী তাকী উসমানী সাহেব ঐতিহাসিক প্রমাণের ভিত্তিতে দেখিয়েছেন কীভাবে রাসূল (সা.)-এর যুগ থেকেই অত্যন্ত সতর্কতা ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হাদিস লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষিত হয়ে আসছে। বইটি অত্যন্ত সাবলীল বাংলায় অনুবাদ করেছেন মুফতি মহিউদ্দীন কাসেমী, যা সাধারণ পাঠকদের জন্যও বিষয়টি বোঝা সহজ করে দিয়েছে।
আপনি যদি আধুনিক বুদ্ধিবৃত্তিক ফিতনা ও সংশয়বাদীদের হাত থেকে নিজের ও পরিবারের ঈমান সুরক্ষিত রাখতে চান এবং হাদিসের গুরুত্ব সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে চান, তবে এটি আপনার জন্য একটি অবশ্য পাঠ্য বই। আজই সংগ্রহ করুন "হাদীসের প্রামাণ্যতা" এবং দ্বীনের সঠিক বুঝ অর্জন করুন।
লেখক ও অনুবাদক পরিচিতি
আল্লামা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী
মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী স্কলার, প্রখ্যাত ফকীহ, অর্থনীতিবিদ এবং চিন্তাবিদ। তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরীয়াহ আপিল বেঞ্চের সাবেক বিচারপতি এবং স্বনামধন্য ইসলামি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম করাচির নায়েবে মুহতামিম। ইসলামী ফিকহ, হাদিস শাস্ত্র এবং সমকালীন জটিল বিষয়গুলোতে তাঁর অসামান্য পাণ্ডিত্য বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলি বর্তমান প্রজন্মের জন্য সঠিক পথের এক উজ্জ্বল বাতিঘর।
মুফতি মহিউদ্দীন কাসেমী
মুফতি মহিউদ্দীন কাসেমী একজন বিজ্ঞ আলেম, গবেষক ও সুদক্ষ অনুবাদক। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে উর্দু ভাষার বরেণ্য আলেমদের বইগুলো সাবলীল বাংলায় অনুবাদ করে বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের পথ সুগম করেছেন।
💡 বইটি কেন পড়বেন?
✓ইসলামী শরীয়তে হাদিসের অপরিহার্যতা এবং আইনি মর্যাদা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে।
✓'কেবল কুরআনই যথেষ্ট'—এমন বিভ্রান্তিকর দাবির কুরআনভিত্তিক ও যৌক্তিক খণ্ডন জানতে।
✓রাসূল (সা.)-এর যুগ থেকে শুরু করে সাহাবা ও তাবেয়ীনদের যুগে হাদিস কীভাবে নির্ভুলভাবে সংরক্ষিত ও সংকলিত হয়েছে, তার নির্ভরযোগ্য ইতিহাস পড়তে।
✓বিশ্ববরেণ্য স্কলার মুফতী তাকী উসমানী সাহেবের ক্ষুরধার যুক্তির মাধ্যমে সমকালীন একটি বড় ফিতনার স্বরূপ উন্মোচন করতে।
🔑 বইটির মূল শিক্ষা
•• হাদিস বা সুন্নাহ ছাড়া পবিত্র কুরআনের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা ও আমল করা একেবারেই অসম্ভব।
•• ইসলামী শরীয়তের দ্বিতীয় অকাট্য ও চূড়ান্ত উৎস হলো প্রিয়নবী (সা.)-এর হাদিস।
•• হাদিস অস্বীকার করার অর্থ হলো পরোক্ষভাবে স্বয়ং পবিত্র কুরআনকেই অস্বীকার করা।
•• সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফে সালেহীনের যুগে অত্যন্ত নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হাদিস সংরক্ষিত হয়েছিল।
🎯 বইটি কাদের জন্য?
যারা হাদিসের গুরুত্ব, সংকলন ও প্রামাণ্যতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও দালিলিক জ্ঞান অর্জন করতে চান। হাদিস অস্বীকারকারী (আহলে কুরআন বা মুনকিরে হাদিস) গোষ্ঠীর ছড়ানো সংশয় থেকে নিজেদের ঈমান রক্ষা করতে আগ্রহী তরুণ সমাজ। ইসলামি জ্ঞানানুসন্ধানী শিক্ষার্থী (তালিবুল ইলম), আলেম সমাজ এবং গবেষকবৃন্দ।
