39% ছাড়
কুধারণা ও প্রতিকার
| লেখক : | আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ হাকীম মুহাম্মদ আখতার (রহ.) |
| প্রকাশনী : | হাকীমুল উম্মত প্রকাশনী |
| বিষয় : | আত্মশুদ্ধি |
| পৃষ্ঠা : | 48 |
| বাইন্ডিং : | হার্ডকভার |
| প্রকাশসাল : | 2017 |
| ভাষা : | বাংলা |
রূমীয়ে-যামানা কুতুবে-আলম আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মদ আখতার ছাহেব (রহ.) রচিত 'কুধারণা ও প্রতিকার' আত্মশুদ্ধি ও রুহানি ব্যাধি নিরাময়ের ওপর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। অন্যের প্রত...
৳৫৫৳৯০(39% ছাড়)
পরিমাণ:
1
● স্টকে আছে
🚚সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
🛡️১০০% অরিজিনাল বই
🔄৩ দিনে সহজ রিটার্ন সুবিধা
বইয়ের বিবরণ
শিরোনাম: কুধারণা ও প্রতিকার — শাহ্ হাকীম মুহাম্মদ আখতার (রহ.)
মানবজীবনের অন্যতম একটি ধ্বংসাত্মক রুহানি ও সামাজিক ব্যাধি হলো 'কুধারণা' বা অন্যের সম্পর্কে বিনা প্রমাণে খারাপ ধারণা পোষণ করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা মুমিনদেরকে বেশি বেশি ধারণা বা অনুমান করা থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, কারণ কিছু ধারণা হলো সুস্পষ্ট গুনাহ। কুধারণা বা বদগুমানির কারণে শুধু যে নিজের নেক আমল নষ্ট হয় তা নয়, বরং এর ফলে স্বামী-স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবের মাঝে মধুর সম্পর্কগুলোও চোখের পলকে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। এই ভয়াবহ আত্মিক ব্যাধি থেকে মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করতে এবং অন্তরের প্রশান্তি ফিরিয়ে আনতে রূমীয়ে-যামানা কুতুবে-আলম আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মদ আখতার ছাহেব (রহ.) রচনা করেছেন "কুধারণা ও প্রতিকার" নামক এই অনবদ্য গ্রন্থটি।
বইটিতে লেখক অত্যন্ত দরদভরা ভাষায় তুলে ধরেছেন কীভাবে শয়তান মানুষের মনে অন্যের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের বীজ বপন করে। সামান্য একটি ভুল বোঝাবুঝি বা অমূলক ধারণার বশবর্তী হয়ে মানুষ কীভাবে গিবত, তোহমত এবং হিংসার মতো জঘন্য গুনাহে লিপ্ত হয়, তার বাস্তব চিত্র এই বইয়ে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, লেখক কেবল এই ব্যাধির কারণ ও ক্ষতিকর দিকগুলো তুলেই ক্ষান্ত হননি, বরং কুরআন, সুন্নাহ এবং তাসাউফের আলোকে এর একটি বাস্তবসম্মত ও আধ্যাত্মিক প্রতিকার বা চিকিৎসাও প্রদান করেছেন। কীভাবে নফসের এই ধোঁকা থেকে বেরিয়ে এসে সবার প্রতি 'সুধারণা' (হুসনে জন্ন) পোষণ করা যায়, তার চমৎকার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এখানে।
মূল উর্দু ভাষার আধ্যাত্মিক গভীরতা অক্ষুণ্ন রেখে বইটি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও সাবলীল বাংলায় অনুবাদ করেছেন মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন। ফলে সাধারণ বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য এই জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও রুহানি বিষয়টি বোঝা অত্যন্ত সহজ হয়েছে।
আপনি যদি আপনার অন্তরকে অহেতুক সন্দেহ, মানসিক পেরেশানি এবং কুধারণার গ্লানি থেকে মুক্ত করে প্রশান্তি লাভ করতে চান এবং পারস্পরিক সম্পর্কগুলোকে সুন্দর রাখতে চান, তবে এই বইটি আপনার জন্য একটি অমূল্য রত্ন। আজই সংগ্রহ করুন আত্মশুদ্ধির এই অসাধারণ বইটি এবং নিজের আত্মাকে পবিত্র করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করুন।
লেখক ও অনুবাদক পরিচিতি
হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মদ আখতার ছাহেব (রহ.)
তিনি উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক রাহবার, সুফি সাধক এবং প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ছিলেন। তাসাউফ, আত্মশুদ্ধি ও মানুষের রুহানি ব্যাধি (যেমন: অহংকার, হিংসা, কুধারণা) দূর করার ময়দানে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। মানুষের পাষাণ অন্তরকে গলিয়ে আল্লাহর মহব্বতে সিক্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর বয়ান ও রচনাবলি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। আধ্যাত্মিক জ্ঞানে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্যের কারণে তাঁকে 'রূমীয়ে-যামানা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন
মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন একজন বিজ্ঞ আলেম ও সুদক্ষ অনুবাদক। তিনি উর্দু ভাষার আধ্যাত্মিক কিতাবগুলোকে অত্যন্ত সাবলীল বাংলায় রূপান্তর করে সাধারণ পাঠকদের জন্য তাসাউফ ও আত্মশুদ্ধির জ্ঞান অর্জনের পথ সহজ করেছেন।
💡 বইটি কেন পড়বেন?
✓কুধারণা বা অহেতুক সন্দেহের কারণে কীভাবে নেক আমল ধ্বংস হয় এবং সমাজ জীবনে অশান্তি সৃষ্টি হয়, তা জানার জন্য।
✓
✓শয়তানের ধোঁকা ও মনের কুমন্ত্রণা (ওয়াসওয়াসা) থেকে নিজেকে রক্ষা করার আধ্যাত্মিক কৌশল শিখতে।
✓অন্যের প্রতি সর্বদা সুধারণা (হুসনে জন্ন) পোষণের মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনের প্রেরণা পেতে।
✓প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক রাহবার শাহ্ হাকীম মুহাম্মদ আখতার (রহ.)-এর দিকনির্দেশনায় অন্তরের ব্যাধির রুহানি চিকিৎসা নিতে।
🔑 বইটির মূল শিক্ষা
•• ইসলামে বিনা প্রমাণে কারও সম্পর্কে কুধারণা (সু-ই-জন্ন) বা খারাপ ধারণা পোষণ করা হারাম।
•• কুধারণা মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্ববোধ ধ্বংস করে।
•• নফস ও শয়তানের প্ররোচনা থেকে বেঁচে থাকতে সর্বদা অন্যের ব্যাপারে সুধারণা (হুসনে জন্ন) পোষণ করা উচিত।
•• অন্তরকে কুধারণামুক্ত রেখে আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের বাস্তবসম্মত রুহানি চিকিৎসা।
🎯 বইটি কাদের জন্য?
যারা অন্যের প্রতি অহেতুক সন্দেহ, নেতিবাচক চিন্তা বা মানসিক পেরেশানি থেকে মুক্ত হতে চান। যাঁরা নিজেদের অন্তরকে হিংসা, বিদ্বেষ ও কুধারণা থেকে পবিত্র করে আত্মশুদ্ধি (তাজকিয়া) অর্জন করতে চান। পারিবারিক, সামাজিক ও দাম্পত্য সম্পর্কগুলোকে সুন্দর, সন্দেহমুক্ত ও মজবুত করতে আগ্রহী সকল মুসলিম।
